নরসিংদীতে পর্যটনের নতুন আকর্ষণ শ'ত বছরের পুরনো জমিদার বাড়ি
০৩ মার্চ ২০১৮, ০৬:২২ এএম | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৭ পিএম
নরসিংদী প্রতিনিধি
[caption id="attachment_1769" align="alignnone" width="730"]
ছবিঃ সংগৃহীত[/caption]
নরসিংদী পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের জয়নগর এলাকায় অবস্থিত শত বছরের পুরনো জমিদার বাড়িটি আজো কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। নিপুণ কারুকাজ মণ্ডিত বাড়িটি নির্মাণ করেন মোগল আমলের লক্ষণ সাহা নামে এক জমিদার। পূর্ণাঙ্গ শৈল্পিক ২৪ কক্ষ বিশিষ্ট এই জমিদার বাড়িটির পাশেই রয়েছে ছোট্ট আরেকটি কারুকার্য খচিত মন্দির, রয়েছে একটি অর্ধনির্মিত প্রাচীন বাড়ি। বাড়ির পেছনে রয়েছে গাছ-গাছালি যুক্ত বাগান। বাড়িসহ বাগানের চারিদিকটা উঁচু প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত। রয়েছে সেই সময়ই তৈরি করা জমিদার বাড়ির সুন্দর একটি পুকুর আর সান বাঁধানো ঘাট। পুকুরের পাশে পূজা করার জন্যে রয়েছে একটি বড় আকারের মণ্ডপ।
বিশাল আকৃতির এই জমিদার বাড়িটির বর্তমান মালিকানায় রয়েছে আহম্মদ আলী নামে এক উকিল। যার কারণে এই বাড়িটি এখন উকিলের বাড়ি নামে পরিচিত।
জানা যায়, স্বাধীনতার পর জমিদার লক্ষণ সাহার নাতি বৌদ্ধ নারায়ণ সাহা জমিদারের রেখে যাওয়া সমস্ত সম্পত্তি আহম্মদ আলীর কাছে বিক্রি করে নারায়ণগঞ্জ জেলায় চলে যান। আহম্মদ আলীর স্ত্রীর নাম অনুসারে বাড়িটির নামকরণ করেন জামিনা মহল। মূলত আহম্মদ আলী ওকালতি পেশার সাথে সংযুক্ত ছিলেন বিধায় বর্তমানে এই জমিদার বাড়িটি উকিলের বাড়ি হিসেবেই বেশি পরিচিতি পেয়েছে। বর্তমানে আহাম্মদ আলীও নারায়ণগঞ্জ জেলায় বসবাস করছেন।
এদিকে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়দের অভিযোগ, জমিদারের রেখে যাওয়া এই বিশাল সম্পত্তিটি ছিল দেবোত্তর। সিদ্দিকুর রহমান নামে স্থানীয় এক প্রবীণ জানান, তত্কালীন ভারতবর্ষে এই এলাকাটি ছিল দেবোত্তর হিসেবে। ঐ সময়ে দেবোত্তর জমি হলে জমিদারকে খাজনা দেওয়া লাগতো না। জমিদার লক্ষণ সাহার ছিল তিন ছেলে নিকুঞ্জ সাহা, পেরিমোহন সাহা ও বঙ্কু সাহা। জমিদার মারা যাওয়ার পর তারা তিন ভাই এই সম্পত্তি দেখভাল করতেন। বঙ্কু সাহা ভারত ভাগের সময় এখান থেকে ভারতে চলে যান। পরবর্তীতে পাকিস্তান থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় হওয়ার কিছু পূর্বে নিকুঞ্জ সাহাও ভারতে চলে যান। এক পর্যায়ে জমিদারের ছোট ছেলে পেরিমোহন সাহা এই সম্পত্তির দেখভাল করেন। পেরিমোহন সাহার বৌদ্ধ নারায়ণ সাহা নামে এক ছেলে ছিল। পেরিমোহন সাহা মারা যাওয়ার পর বৌদ্ধ নারায়ণ এই দেবোত্তার সম্পত্তিটি বিক্রি করে ফেলেন। তিনি আরো জানান, এলাকার হিন্দু সম্প্রদায় ট্রাস্ট নামে একটি সংগঠন দেবোত্তরকৃত এই সম্পত্তিটি বিক্রি করার পর আদালতে মামলা দায়ের করে। যা এখনো চলমান।
ডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাবের উল হাই এ প্রসঙ্গে জানান, প্রাচীন এই জমিদার বাড়িটি ডাঙ্গা ইউনিয়নের ঐতিহ্য। এটি সংরক্ষণ ও দর্শনীয় স্থান করার জন্য জেলা প্রশাসক থেকে উদ্যোগ নেওয়া
ছবিঃ সংগৃহীত[/caption]
নরসিংদী পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের জয়নগর এলাকায় অবস্থিত শত বছরের পুরনো জমিদার বাড়িটি আজো কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। নিপুণ কারুকাজ মণ্ডিত বাড়িটি নির্মাণ করেন মোগল আমলের লক্ষণ সাহা নামে এক জমিদার। পূর্ণাঙ্গ শৈল্পিক ২৪ কক্ষ বিশিষ্ট এই জমিদার বাড়িটির পাশেই রয়েছে ছোট্ট আরেকটি কারুকার্য খচিত মন্দির, রয়েছে একটি অর্ধনির্মিত প্রাচীন বাড়ি। বাড়ির পেছনে রয়েছে গাছ-গাছালি যুক্ত বাগান। বাড়িসহ বাগানের চারিদিকটা উঁচু প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত। রয়েছে সেই সময়ই তৈরি করা জমিদার বাড়ির সুন্দর একটি পুকুর আর সান বাঁধানো ঘাট। পুকুরের পাশে পূজা করার জন্যে রয়েছে একটি বড় আকারের মণ্ডপ।
বিশাল আকৃতির এই জমিদার বাড়িটির বর্তমান মালিকানায় রয়েছে আহম্মদ আলী নামে এক উকিল। যার কারণে এই বাড়িটি এখন উকিলের বাড়ি নামে পরিচিত।
জানা যায়, স্বাধীনতার পর জমিদার লক্ষণ সাহার নাতি বৌদ্ধ নারায়ণ সাহা জমিদারের রেখে যাওয়া সমস্ত সম্পত্তি আহম্মদ আলীর কাছে বিক্রি করে নারায়ণগঞ্জ জেলায় চলে যান। আহম্মদ আলীর স্ত্রীর নাম অনুসারে বাড়িটির নামকরণ করেন জামিনা মহল। মূলত আহম্মদ আলী ওকালতি পেশার সাথে সংযুক্ত ছিলেন বিধায় বর্তমানে এই জমিদার বাড়িটি উকিলের বাড়ি হিসেবেই বেশি পরিচিতি পেয়েছে। বর্তমানে আহাম্মদ আলীও নারায়ণগঞ্জ জেলায় বসবাস করছেন।
এদিকে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়দের অভিযোগ, জমিদারের রেখে যাওয়া এই বিশাল সম্পত্তিটি ছিল দেবোত্তর। সিদ্দিকুর রহমান নামে স্থানীয় এক প্রবীণ জানান, তত্কালীন ভারতবর্ষে এই এলাকাটি ছিল দেবোত্তর হিসেবে। ঐ সময়ে দেবোত্তর জমি হলে জমিদারকে খাজনা দেওয়া লাগতো না। জমিদার লক্ষণ সাহার ছিল তিন ছেলে নিকুঞ্জ সাহা, পেরিমোহন সাহা ও বঙ্কু সাহা। জমিদার মারা যাওয়ার পর তারা তিন ভাই এই সম্পত্তি দেখভাল করতেন। বঙ্কু সাহা ভারত ভাগের সময় এখান থেকে ভারতে চলে যান। পরবর্তীতে পাকিস্তান থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় হওয়ার কিছু পূর্বে নিকুঞ্জ সাহাও ভারতে চলে যান। এক পর্যায়ে জমিদারের ছোট ছেলে পেরিমোহন সাহা এই সম্পত্তির দেখভাল করেন। পেরিমোহন সাহার বৌদ্ধ নারায়ণ সাহা নামে এক ছেলে ছিল। পেরিমোহন সাহা মারা যাওয়ার পর বৌদ্ধ নারায়ণ এই দেবোত্তার সম্পত্তিটি বিক্রি করে ফেলেন। তিনি আরো জানান, এলাকার হিন্দু সম্প্রদায় ট্রাস্ট নামে একটি সংগঠন দেবোত্তরকৃত এই সম্পত্তিটি বিক্রি করার পর আদালতে মামলা দায়ের করে। যা এখনো চলমান।
ডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাবের উল হাই এ প্রসঙ্গে জানান, প্রাচীন এই জমিদার বাড়িটি ডাঙ্গা ইউনিয়নের ঐতিহ্য। এটি সংরক্ষণ ও দর্শনীয় স্থান করার জন্য জেলা প্রশাসক থেকে উদ্যোগ নেওয়াবিভাগ : নরসিংদীর খবর
- শিবপুরে নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর মুরগির বিষ্ঠার গর্তে মিলল বৃদ্ধার মরদেহ
- মাধবদীতে স্বর্ণের চেইনের লোভে নামাজরত বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা: ৩ আসামি গ্রেপ্তার, স্বীকারোক্তি
- নজরুল বর্ষ উপলক্ষে নরসিংদী প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা
- চরসিন্দুর বাজারের ব্যবসায়ী মনি চক্রবর্তী হত্যা মামলার দুই আসামী গ্রেপ্তার
- পলাশে ভূমিদস্যু যাকাত ভূইয়ার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
- দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে ক্যাডেট কলেজের আদলে ৬০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে: খায়রুল কবির খোকন এমপি
- মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: ৫ ডাকাত গ্রেপ্তার, মালামাল উদ্ধার
- শিবপুরে শীতলক্ষায় ডুবে নিখোঁজ ৪ জনের মধ্যে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
- শিবপুরে গোসলে নেমে নদীতে ডুবে নারীসহ ৪ জন নিখোঁজ
- নরসিংদীতে ৮ নারী উদ্যোক্তাকে অনুদানের চেক হস্তান্তর
- শিবপুরে নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর মুরগির বিষ্ঠার গর্তে মিলল বৃদ্ধার মরদেহ
- মাধবদীতে স্বর্ণের চেইনের লোভে নামাজরত বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা: ৩ আসামি গ্রেপ্তার, স্বীকারোক্তি
- নজরুল বর্ষ উপলক্ষে নরসিংদী প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা
- চরসিন্দুর বাজারের ব্যবসায়ী মনি চক্রবর্তী হত্যা মামলার দুই আসামী গ্রেপ্তার
- পলাশে ভূমিদস্যু যাকাত ভূইয়ার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
- দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে ক্যাডেট কলেজের আদলে ৬০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে: খায়রুল কবির খোকন এমপি
- মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: ৫ ডাকাত গ্রেপ্তার, মালামাল উদ্ধার
- শিবপুরে শীতলক্ষায় ডুবে নিখোঁজ ৪ জনের মধ্যে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
- শিবপুরে গোসলে নেমে নদীতে ডুবে নারীসহ ৪ জন নিখোঁজ
- নরসিংদীতে ৮ নারী উদ্যোক্তাকে অনুদানের চেক হস্তান্তর
এই বিভাগের আরও