রায়পুরায় ছাত্রলীগ নেতার ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

৩১ আগস্ট ২০১৯, ০৯:৩৯ পিএম | আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০১৯, ১২:৫৭ এএম


রায়পুরায় ছাত্রলীগ নেতার ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

মো. আব্দুল কাদির :
নরসিংদীর রায়পুরায় গত বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) আদিয়াবাদ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহমেদ শ্রাবণের (২৭) ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে রায়পুরা উপজেলা ছাত্রলীগ।


শনিবার (৩১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলার রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু অডিটরিয়াম হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসাদুল হক চৌধুরী শাকিল বলেন, গত বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে দিবালোকে আদিয়াবাদ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহমেদ শ্রাবণের ওপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূল শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক হাসিব আহমেদ জাকির, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম তুহিন, উপজেলা জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের সভাপতি মোল্লা সুমনসহ উপজেলা, ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
পরে হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে সাংসদ রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু চত্বরের সামনে ছাত্রলীগ ও এলাকার সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।


উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৯ অগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টায় আদিয়াবাদ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহমেদ শ্রাবণ তার স্ত্রী ও এক সন্তানকে নরসিংদী রেখে মোটরবাইকে করে রায়পুরা ফিরছিলেন। পথে নরসিংদী-রায়পুরা আঞ্চলিক সড়কের আমিরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী তার মোটরবাইকের গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরতর আহত করে।
এ সময় উপস্থিত জনতা সন্ত্রাসীদের ধাওয়া দিলে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে আশংঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
শ্রাবণ আদিয়াবাদ ইউনিয়নের শেরপুর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে ও রাধাগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী।


ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে তার মাথায় ও পায়ে দুটি অস্ত্রপাচার শেষে শুক্রবার সকালে তাকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এখনও সে পুরোপুরি শংঙ্কামুক্ত নন বলে তার স্বজনদের জানিয়েছেন চিকিৎসকরা ।
এঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই শ্রাবণের চাচা মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক বাদী হয়ে জহির খন্দকার কে প্রধান আসামী করে মোট দশজনের বিরুদ্ধে রায়পুরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।


মামলার প্রধান আসামী জহির উপজেলার একই ইউনিনের আদিয়াবাদ পূর্বপাড়ার ফজলু খন্দকারের ছেলে। মামলায় আরো ৫/৭ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামী করা হয়েছে। তবে মামলার আসামীরা সবাই পলাতক থাকায় এখনও পযর্ন্ত অভিযুক্ত কাউকে পুলিশ আটক করতে পারেনি।