মাধবদীতে ইউএনও'র হস্তক্ষেপে রাস্তার দুর্ভোগ ঘুচলো এলাকাবাসীর

২৯ জুলাই ২০২০, ১১:৪৫ এএম | আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:২৯ পিএম


মাধবদীতে ইউএনও'র হস্তক্ষেপে রাস্তার দুর্ভোগ ঘুচলো এলাকাবাসীর

মোঃ আল-আমিন সরকার:

নরসিংদীর মাধবদীর কাঁঠালিয়া ইউনিয়নে লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে রাস্তা কেটে সেখানে গাছ লাগিয়ে ও বেষ্টনী দিয়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। এতে ওই এলাকার ৫ শতাধিক বাসিন্দাসহ স্থানীয় শিল্পকারখানা মালিকরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। এ ব্যাপারে একাধিকবার ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের শরণাপন্ন হয়েও কোন প্রতিকার পাচ্ছিলেন না এলাকাবাসী। অবশেষে প্রায় একমাস পর খবর পেয়ে নরসিংদী সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাছলিমা আক্তারের হস্তক্ষেপে এলাকাবাসীর এ দুর্ভোগ লাঘব হয়।

এলাকাবাসী জানায়, প্রায় একমাস আগে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হারুন মোল্লার ছোট ভাই হিরন মোল্লা  ওই ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা টেক্সটাইল মালিক তারা মিয়ার কাছে একলাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তারা মিয়া উক্ত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হিরন মোল্লা নিজেদের জায়গার পাশ দিয়ে ওই ওয়ার্ডে যাতায়াতের রাস্তার প্রায় ৫০ ফুট অংশ কেটে ফেলে এবং উক্ত জায়গায় গাছ লাগিয়ে ও বেষ্টনী দিয়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। এতে ওই এলাকায় অবস্থিত টেক্সটাইল মিলে মালামাল পরিবহণ ও এলাকাবাসীর চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে। এ ব্যাপারে দফায় দফায় চেয়ারম্যানের কাছে গিয়েও কোন প্রতিকার মিলছিলো না।

খবর পেয়ে এ প্রতিবেদক সরেজমিনে ঘুরে অভিযুক্তের বক্তব্য নেয়ার জন্য তার মুঠোফোনে কল করলে তার সাথেও অশালীন আচরণ করে, তবে চাঁদা চাওয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন। অবশেষে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাছলিমা আক্তারকে বিষয়টি অবহিত করা হলে, তিনি খোঁজখবর নিয়ে দ্রুত রাস্তাটি পুনঃনির্মাণের জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী দুইদিনের মধ্যে চেয়ারম্যান হারুন মোল্লা রাস্তাটি পুনঃনির্মাণ করলে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ইউএনও তাছলিমা আক্তার রাস্তাটি পরিদর্শন করেন। রাস্তাটি পুনঃনির্মাণ ও চালু হওয়ায় এলাকাবাসীর দীর্ঘসময়ের দুর্ভোগ লাঘব হয়। ইউএনও'র তড়িৎ পদক্ষেপে রাস্তাটি পুনঃনির্মাণ হওয়ায় তাঁর প্রতি এলাকাবাসী আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ইউএনও তাছলিমা আক্তার জানান, ঘটনাটি জানার সাথেসাথেই আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করি। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়, তাই যে কেউ নাগরিক অধিকার বিঘ্নিত করলে তার বিরুদ্ধেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।