সৌদী প্রিন্স সালমান আসছেন বাংলাদেশে

০৬ নভেম্বর ২০২২, ০৭:১০ পিএম | আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:১৩ পিএম


সৌদী প্রিন্স সালমান আসছেন বাংলাদেশে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সৌদী আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী ২০২৩ সালের শুরুর দিকে সৌদি যুবরাজ বাংলাদেশ সফর করবেন, যা দুদেশের সম্পর্ক বৃদ্ধিতে অনন্য ভূমিকা রাখবে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান এ কথা জানিয়েছেন।

এছাড়া সৌদী আকওয়া পাওয়ারের মাধ্যমে বাংলাদেশে ১০০০ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার ও ৭৩০ মেগাওয়াট গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাবের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বাংলাদেশ ও সৌদী আরবের মধ্যে।

এটি বাংলাদেশ-সৌদী আরবের মধ্যে ১৪তম যৌথ কমিশন সভা। রিয়াদের ডিজিটাল সিটিতে অবস্থিত ক্রাউন প্লাজা হোটেলে ৩০-৩১ অক্টোবর যৌথ কমিশনের এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জ্বালানি সহযোগিতা বাড়াতে একটি টাস্কফোর্স গঠনে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও সৌদি আরব। টাস্কফোর্সটি জ্বালানি খাতে সহযোগিতার বিষয়ে দুই দেশের সুবিধাজনক সময়ে নিয়মিত সভা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া জরুরি ভিত্তিতে বাণিজ্যিকভাবে এলএনজি সরবরাহ ও ইস্টার্ন রিফাইনারি ইউনিট দুই প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে সৌদি।

বাংলাদেশ-সৌদির মধ্যে যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের ১৪তম সভা শেষে সোমবার (৩১ অক্টোবর) রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস এসব তথ্য জানায়।

অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান। সৌদির পক্ষে ছিলেন দেশটির মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার ড. আব্দুল্লাহ বিন নাসের বিন মোহাম্মাদ আবুথনাইন।

দূতাবাস জানায়, সভায় জ্বালানি সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সৌদি আরব ও বাংলাদেশ একটি টাস্কফোর্স গঠনে সম্মত হয়। জ্বালানি খাতে সহযোগিতার বিষয়ে দুই দেশের সুবিধাজনক সময়ে নিয়মিত সভা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে বাণিজ্যিকভাবে এলএনজি সরবরাহ ও ইস্টার্ন রিফাইনারি ইউনিট দুই প্রকল্পে সৌদি বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ অনুরোধ জানালে দেশটি সহযোগিতার আশ্বাস দেয়।

এছাড়া সৌদি আকওয়া পাওয়ার বাংলাদেশে ১ হাজার মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার ও ৭৩০ মেগাওয়াটের গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইসিটি, কৃষি, পরিবেশ, ধর্মীয় মূল্যবোধ, ইত্যাদি বিষয়ে স্বার্থসংশ্লিষ্ট আলোচনা এবং পারস্পারিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। সভা শেষে একটি যৌথ কার্য বিবরণী স্বাক্ষর করা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেন।

সূত্রঃ যায়যায়দিন


বিভাগ : বিশ্ব