অটোপাশের দাবিতে নরসিংদীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৬:৪৮ পিএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:০৬ এএম


অটোপাশের দাবিতে নরসিংদীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অটোপাশের দাবিতে নরসিংদীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন হয়েছে। মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নরসিংদী প্রেসক্লাবের সামনে এই বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন হয়। এতে জেলার ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় দুইশ এসএসসি পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

মিছিলটি শহরের জেলখানার মোড় থেকে শুরু হয়ে প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে এসব শিক্ষার্থীরা দাঁড়িয়ে-বসে দুইঘণ্টা সময় ধরে নানা স্লোগান দিতে থাকে। এসময় সড়কটির দুই দিকে যানবাহন চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় একঘণ্টা চেষ্টার পর বিক্ষোভরত এসব শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাঠাতে সক্ষম হয় পুলিশ।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আমাদের পড়াশোনার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনলাইন পদ্ধতিতে যে ক্লাস হয়েছে তাতে আমরা খুব একটা উপকৃতও হইনি। চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে এসএসসি পরীক্ষা গ্রহণও বিলম্বিত হয়েছে। এতে করে আমাদের সেশনজটের সম্মুখীন হতে হবে। এছাড়া বর্তমান সময়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন, এবারের এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত করে পরীক্ষার্থীদের অটোপাশের ব্যবস্থা করা হোক।

বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে অংশ নেওয়া একাধিক শিক্ষার্থী জানান, আমরা খুব মানসিক পীড়ার মধ্যে আছি। ভবিষ্যত নিয়ে আমরা খুব উদ্বিগ্ন। আমরা চাই ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিকল্প পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা হোক। একমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই পারেন আমাদের এই মানসিক পীড়া থেকে মুক্তি দিতে।

বিক্ষোভরত এসব পরীক্ষার্থীদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) বেলাল হোসাইন, নরসিংদী কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি মশিউর রহমান মৃধা, নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার দত্ত চৌধুরী ও পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমান। 

নরসিংদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমান জানান, অটোপাশের দাবিতে এসব শিক্ষার্থীরা প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হয়েছিল। আমরা তাদের বক্তব্য মনযোগ দিয়ে শুনেছি। পরে অটোপাশের জন্য একটি আবেদন আমাদের হাতে দিয়ে তারা যার যার বাড়ি ফিরে গেছে।