মাধবদীতে নির্মাণাধীন কারখানায় চাঁদাবাজি, হামলা ও লুটপাটকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি

২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১০ পিএম | আপডেট: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৫ এএম


মাধবদীতে নির্মাণাধীন কারখানায় চাঁদাবাজি, হামলা ও লুটপাটকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:
নরসিংদীর মাধবদীতে ওয়াকফি নিট ফেব্রিক্স প্রাইভেট লি: নামের একটি নির্মাণাধীন পোশাক কারখানায় হামলা, লুটপাট, চাঁদাবাজি, প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মারধরের প্রতিবাদ এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে নরসিংদী প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান কারখানা কর্তৃপক্ষ।

কারখানার সিনিয়র ব্যবস্থাপক মো: জাকির হোসেন লিখিত বক্তব্যে বলেন, মাধবদী থানার কান্দাপাড়া এলাকায় গড়ে তোলা হচ্ছে শতভাগ রপ্তানীমুখী পোশাক কারখানাটি। নির্মাণাধীন এই কারখানাটিতে স্থানীয় কিছু চাঁদাবাজ বেশ কয়েকদিন ধরেই ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। না দেয়ায় গত ১৪ এপ্রিল দুপুরে স্থানীয় চাঁদাবাজ হিসেবে চিহ্নিত কামরুল হক রোমানের নেতৃত্বে ৫০/৬০ জনের একটি দল নির্মাণাধীন কারখানাটিতে ঢুকে হামলা-ভাংচুর এবং ব্যাপক লুটপাট চালায়। এসময় কারখানায় কর্মরত প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার, সিকিউরিটি ইনচার্জসহ বেশ কয়েকজনকে আহত করে সাইড অফিসে রাখা সাড়ে ৭ লাখ টাকাও ছিনিয়ে নেয় চক্রটি। এরপর হতে কারখানা কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এ বিষয়ে মাধবদী থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার পরও কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ কারখানা কর্তৃপক্ষের। দ্রুত হামলাকারীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান কারখানা কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ সম্মেলনে কারখানার উপ-ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) খোরশেদ আলম সিদ্দিকীসহ কারখানার অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ফোনে যোগাযোগ করা হলে মোঃ কামরুল হক রোমান জানান, কারখানা কর্তৃপক্ষের সাথে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। আমার বিরুদ্ধে কেন এসব অভিযোগ করা হচ্ছে বুঝতে পারছি না। ঘটনার দিন কারখানায় ১০০ লিটার তেল মজুদ করা হয়েছে এমন খবরে স্থানীয় দুই গ্রুপের মধ্যে গন্ডগোল হয়। খবর পেয়ে আমি থামাতে গিয়ে দুই গ্রুপের লোকজনকে চড়থাপ্পড় দেই। চাঁদা দাবির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। বিগত দিনে আমি কারখানাটির দেখাশোনা করেছি সে হিসেবে তাদের সাথে সুসম্পর্ক থাকার পরও কেন এমন অভিযোগ জানি না।
তিনি মাধবদী থানা ছাত্র দলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন, বর্তমানে দলীয় কোন পদে নেই বলেও জানান। 

যোগাযোগ করা হলে মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



এই বিভাগের আরও