এইচএসসি’র ফলাফল: চমক অব্যাহত আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজের

১৭ জুলাই ২০১৯, ০৬:৩০ পিএম | আপডেট: ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৩:৩৯ এএম


এইচএসসি’র ফলাফল: চমক অব্যাহত আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজের

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ এবারও চমকপ্রদ ফলাফল করেছে। বুধবার (১৭ জুলাই) প্রকাশিত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নেওয়া ৯৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সবাই পাশ করেছে। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৭০ জন শিক্ষার্থী।

কলেজের প্রশাসনিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ ২০১২ সাল থেকে টানা তিন বছর ঢাকা বোর্ডে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। গত ২০১৫ সাল থেকে সেরাদের তালিকা না হলেও ফলাফলে নিজেদের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রেখে আসছে। বুধবার দুপুর একটায় ফলাফলের খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা কলেজ প্রাঙ্গনে ছুটে আসে। পরে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল কাদির মোল্লার উপস্থিতিতে ভাল ফলাফল করায় আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্টি আদায় করে দোয়া করা হয়।

এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট ৯৩৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৫৭০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৫০৪ জন অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪২৮ জন, ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ২৩৬ জন অংশ নিয়ে ৮১ জন ও মানবিক শাখা থেকে ১৯৯ জন অংশ নিয়ে ৬১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।


বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ পাওয়া নওরিন সুলতানা আদুরি জানায়, ‘শিক্ষকদের সঠিক দিক-নির্দেশনা, নিয়মিত কাস, বিশেষ কাস, হোম ভিজিট, টিউটেরিয়াল ও মাসিক পরীক্ষার কারণেই এই ভাল ফলাফল হয়েছে।’


মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী শাকিল মিয়া জানায়, ‘আমরা হোষ্টেলে থাকি নাই। কলেজের শিকরা নিয়মিত আমাদের বাসায় এসে খোঁজখবর নিতেন। এ কারণে আমাদেরকে প্রতিনিয়ত লেখাপড়ায় ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে যার কারণে আজ আমাদের এ সাফল্য’।


কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও থার্মেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, ‘ কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে এই সফলতা অর্জন করে আসছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আর তা সম্ভব হয়েছে আমাদের এক ঝাঁক তরুণ শিক্ষকদের অকান্ত পরিশ্রমে এবং শিক্ষার্থীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায়। এর ধারাবাহিকতা রক্ষায় আমার নিরন্তর চেষ্টা আছে, আগেও ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। আর এই ফলাফলের কৃতিত্ব পুরো নরসিংদীবাসীর।


কলেজের অধ্য মো. মাহমুদুল হাসান রুমি বলেন, ‘আমাদের কলেজের এ সাফল্য শিক্ষকদের মেধা ও শিক্ষার্থীদের মেধার সেতু বন্ধনের ফসল। এই কলেজের এক ঝাঁক তরুণ মেধাবী শিক্ষক সকাল থেকে শুরু করে মধ্য রাত অবধি তাঁদের নিরন্তর চেষ্টায়ই আজকের ধারাবাহিক এই সাফল্য। প্রতি ২০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন দিক-নির্দেশক শিক্ষক রয়েছেন। ওই শিক্ষক শুধু লেখাপড়া নয়, তাদের খেলাধুলা, স্বাস্থ্য, বিনোদন থেকে শুরু করে সকল ধরনের চাহিদা পূরণে সবসময় শ্রম দিয়ে আসছেন’।