তামাকমুক্ত হসপিটালিটি সেক্টর বাস্তবায়ন কৌশলপত্র বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত

২৪ জানুয়ারি ২০১৯, ০৭:১১ পিএম | আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০১৯, ০৭:২১ পিএম


তামাকমুক্ত হসপিটালিটি সেক্টর বাস্তবায়ন কৌশলপত্র বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত

তামাকমুক্ত হসপিটালিটি সেক্টর বাস্তবায়ন কৌশলপত্র বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন সভা ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ও ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস্ এর সহযোগিতায় আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১১.৩০ ঘটিকায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজন করা হয় এবং উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও পর্যটন) মোঃ ইমরান। সভার সভাপতি বলেন হোটেল, মোটেল ও রির্সোটগুলোতে  তামাকমুক্ত হসপিটালিটি সেক্টর কৌশলপত্র বাস্তবায়ন করতে মন্ত্রণালয় থেকে নোটিশ প্রদান করা হবে, পর্যাপ্ত ধূমপানমুক্ত সাইনেজের ব্যবস্থা করা এবং ২০৪০ সালের আগেই হসপিটালিটি সেক্টরকে তামাকমুক্ত করতে মন্ত্রণালয় কাজ করবে।

সারা বিশ্বে সমন্বিতভাবে তামাক নিয়ন্ত্রণ ও তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ২০০৩ সালে Framework convention on Tobacco control (FCTC) চুক্তি অনুমোদিত হয়। বাংলাদেশ এই চুক্তির প্রথম স্বাক্ষরকারী দেশ এবং এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ২০০৫ সালে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন প্রণয়ন করে ও পরে ২০১৩ সালে আইনটি সংশোধন করা হয়। বিদ্যমান আইনে সকল পাবলিক প্লেসে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন গবেষনায় দেখা গিয়েছে যে, অন্যান্য পাবলিক প্লেসের তুলনায় হসপিটালিটি সেক্টরে (যেমন- হোটেল, মোটেল, গেষ্টহাউজ, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট, বার ইত্যাদি) প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ধূমপানের হার বেশি। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত Gobal Adult Tobacco Survey (GATS)-২০১৭ অনুসারে শুধুমাত্র রস্টুরেন্টে প্রায় ৫০% মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে। হসপিটালিটি সেক্টরের আওয়াতাধীন সেবা প্রতিষ্ঠানে তামাক ব্যবহার না করেও যারা স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির শিকার হচ্ছেন তাদের সুরক্ষার নিমিত্তে হসপিটালিটি সেক্টরে তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কৌশলপত্রের উপর ওরিয়েন্টেশন প্রয়োজন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকতা গণ, মন্ত্রণালয়ের অধিনস্থ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন তামাক বিরোধী সংগঠনের প্রতিনিধিগণ। সভায় তামাকমুক্ত হসপিটালিটি সেক্টর বাস্তবায়ন কৌশলপত্র উপস্থাপন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এর উপসচিব মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান।  সভার শুরুতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের ধূমপানমুক্ত রে¯েঁÍারা বিষয়ক তথ্য চিত্র উপস্থাপন করেন  সহকারী পরিচালক ও তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো: মোখলেছুর রহমান।

সবশেষে এই সভায় কৌশলপত্রের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৪০ সালের আগেই তামাকমুক্ত হসপিটালিটি সেক্টর করার আশাবাদ ব্যক্ত করে সভাপতি সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি


বিভাগ : জীবনযাপন