বহুতল ভবনের নকশা-নথি গায়েব মামলায় উচ্চ আদালতে রাজউকের ইস্যু ক্লার্কের ১১ বছরের জেল

০৩ মার্চ ২০১৯, ০২:০৪ পিএম | আপডেট: ২১ মার্চ ২০১৯, ০২:৩৩ পিএম


বহুতল ভবনের নকশা-নথি গায়েব মামলায় উচ্চ আদালতে রাজউকের ইস্যু ক্লার্কের ১১ বছরের জেল

আদালত প্রতিবেদক 
বহুতল ভবনের নকশা ও নথি  গায়েব রাজউকের সাবেক ইস্যু ক্লার্ক বিশেষ আদালতে খালাস পেলেও  ১১ বৎসরের  সাজা  দিলেন হাইকোর্ট। আজ রবিবার (৩ মার্চ) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন। 


ঢাকার বিশেষ জজ আদালত নং- ৭,  ২০১৭ সনের ২১ নভেম্বর রাজউকের সাবেক ইস্যু ক্লার্ক বর্তমানে ষ্টেট সেকশনের স্টেনো ক্লার্ক মো. শফিউল্লাহকে নির্দোষ প্রমাণে খালাস দিয়েছিলেন। সে খালাসের বিরুদ্ধে দুদক হাইকোর্টে ২০১৮ সনের ৭ এপ্রিল  ফৌজদারি আপীল মামলা দায়ের করেন। 

রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না, দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসিফ হাসান, আসামি পক্ষে ছিলেন একেএম ফখরুল ইসলাম। 

ঘটনার বিবরণে দেখা যায় মো. শফিউল্লাহ পিতা - মৃত খলিলুর রহমান সাং- রসুলপুর থানা- মতলব, জেলা- চাঁদপুর  অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে তার অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য অবহেলার মাধ্যমে রাজউকের বহুতল ভবনের নকশা অনুমোদন সংক্রান্ত ৫৭টি নথি  অথরাইজড অফিসার -১ ও ৩ এর দপ্তরের রেকর্ড রুমে   প্রেরণ না করিয়া সেগুলো বিনষ্ট ও গায়েব করায় তার  বিরুদ্ধে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক খন্দকার আখেরুজ্জামান ২০১৩ সনের ১০ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা নং ২১ দায়ের করেন। মামলায় সাক্ষী-সাবুদ শেষে আসামীকে নির্দোষ প্রমাণে বিশেষ জজ খালাস দিয়েছিলেন।  আজ হাইকোর্ট তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে বাংলাদেশ দন্ডবিধির ২০৪ ধারায় ২ বৎসর, ২০১৭ ধারায় ২ বৎসর এবং ১৯৪৭ সনের দূর্ণীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ৭ বৎসর মোট ১১ বৎসরের সশ্রম  কারাদণ্ড প্রদান করেন। আজ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আসামিকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ। সকল ধারার সাজা এক সাথে চলবে বিধায় আসামীকে মোট ৭ বৎসর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। 

বিভাগ : বাংলাদেশ